পঞ্চগড়ের করতোয়া নদীর বাগডোকরা ঘাটে “শামীমের” ভেকুর দাপট,ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে 70 হাজার টাকা জরিমানা ও ভেকু জব্দ
- Update Time : ১০:০১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
- / ১২ Time View

ব্যুরো প্রধান-পঞ্চগড়: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার,করতোয়া নদীতে দিন-রাত অবৈধভাবে ভেকু(এক্সকাভেটর)ব্যবহার করে বালি উত্তোলনের সময় এক ব্যাক্তিকে আটক করে 70 হাজার টাকা জরীমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।একই সঙ্গে বালু উত্তোলনে ব্যাবহৃত ভেকুটি জব্দ করা হয়েছে।গত (বুধবার) তিন জুন বিকেলে উপজেলার চাঁর নং কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের বাগডোকরা পাড়া পাড় ঘাটে উত্তর পার্শে করতোয়া নদীর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মোঃআসিফ আলী।ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে করতোয়া নদীর একটি অংশে ভেকু দিয়ে বালি উত্তোলনের অভিযোগ ছিল।অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থলে বাকডোকরা বালু পয়েন্টের লাখোপতি বড় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শামীম হোসেনকে অবৈধভাবে সরাসরি ভেকু দিয়ে বালু উত্তোলনের সময় হাতে নাতে পাওয়া যায়।পরে বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন 2010 (সংশোধিত) 2023 আইন অনূযায়ী তাকে 70 হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে।জরিমানা টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।অভিযান কালে বালু উত্তোলন ভেকু(এক্সকাভেটর) মেশিনটি সহ জব্দ করা হয়।ভ্রাম্যমান আদালতের সামনে শামীম হোসেন নিজের ভুল স্বীকার করে উপস্থিত সকলের সামনে নিজের দন্ডনীয় অপরাধ স্বীকার করে এলাকা বাসি ও প্রশাসনের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। বলে জানাগেছে,নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট মোহাম্মদ আসিফ আলী বলেন,নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালি উত্তোলন পরিবেশ ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের জন্য মারাত্মক হুমকি।এধরনের কর্মকান্ড আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জরিমানা করার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে।ভবিষ্যতে একই অপরাধ কাজে জরিত পাওয়া গেলে আরো কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।তিনি আরো বলেন,নদী রক্ষা ও জনসার্থে অবৈধ বালি উত্তোলনের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান ধারাবাহিক ভাবে চলবে।























