০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

শশীভূষণের এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক ও দুই নং ওয়ার্ডের বেহুন্দী জেলে ও বেহুন্দী জেলেনী ধরতে মন্ত্রণালয়ের ডিও লেটার

মোঃ আবুল কাশেম
  • Update Time : ০৫:০৫:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৬ Time View

মোঃ আবুল কাশেম : ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের ও দুই নং ওয়ার্ডের মৎস্যদস্যূ, বেহুন্দী জেলে, বেহুন্দী জেলেনী এবং মৎস্যদস্যূ আটক করতে ও আইনের আওতায় নিতে মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়- ভোলা জেলার চার সংসদ সদস্য সহ ৩৮ জেলার মোট ১১১ এমপিকে ডিও লেটার দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়। যাতে দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের অভিযানে কোন এমপিরা নদীর মৎস্যদস্যূদের পক্ষ অবলম্বন না করে। ইতিপূর্বে স্বেচ্ছাচারী, ফ্যাসিবাদী ও জোট সরকারের আমলে দেখা গেছে যে, বাংলাদেশ কোষ্টগার্ডের অভিযানে মৎস্যদস্যূ বাছাই করে ধরা হতো। যে বা যারা নেতাদেরকে কিছু মালপানি দিলেই সরকার দলীয় হওয়ার সুযোগ পেত তারাই নদী ও খালের চরে বেহুন্দী জাল, ভাসান জাল, খরসি জাল, বের জাল, রিং জাল, নেট জাল দিয়ে নদী-খাল, জলাশয় সহ সকল জলচর মাছ ও মাছের ডিমগুলোও ধরে নিয়ে যেত এবং নদী-খাল, জলাশয় খালি করে ফেলত। স্থানীয় এমপির লোক বিধায়- অবরোধ চলাকালীন সময়ে নদী খালের সব মাছ ধরে নিয়ে যেত। কোস্টগার্ড তাদেরকে ধাওয়া দিলে এমপি সাহেব আলম, এমপি সাহেব জ্যাকব, এমপি সাহেব অমুক, এমপি সাহেব তমুক এর কারনে মৎস্যদস্যূদেরকে আর ধরা যেত না। যারা এমপি সাহেবের লোক নয় তাদের ক’জনকে ধরে সরকারি অভিযান এর নামমাত্র আনুষ্ঠানিকতা দেখানো হতো। যেমন- ইংরেজি ২০১৩ ইং সালে বেহুন্দী জাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ হাইকোর্ট। অথচ ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের বেহুন্দী জেলে নুরুদ্দিন, বেহুন্দী জেলে মাহমুদ, বেহুন্দি জেলেনী শেফু, বেহুন্দী জেলে জামাল, বেহুন্দী জেলে কামাল, বেহুন্দী জেলে লিটন, বেহুন্দী জেলে লোকমান, বেহুন্দী জেলেনী কামালের মা, মৎস্য দস্যূ জাহাঙ্গীর মাঝি, মৎস্যদস্যূ আলাউদ্দিন এবং ঐ এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের বেহুন্দী জেলে বেলায়েত, মৎস্য দস্যূ চিডু মাঝি, বারেক মাঝি ও ছালেম মাঝির বিরুদ্ধে কোস্টগার্ড কোন অভিযানে যেতে পারে নাই। নাজিমুদ্দিন আলম এমপি থাকা কালেও ঐ মৎস্যদস্যূদেরকে কোস্টগার্ড জেনেও অভিযান করতে পারে নাই।

https://www.facebook.com/profile.php?id=61595446886442

তাই বর্তমান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট এমপিদের নিকট চিঠি বা ডিও লেটার দিয়ে জানিয়েছেন যে, মা-মাছ, ছোট মাছসহ সব ধরনের মৎস্য নিধন বন্ধের সরকারি ও আইনানুগ অবরোধ চলাকালীন সময়ে সকল মাছ ধরা নিষেধ। এবং বাংলাদেশ হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে, সারাদেশে বারো মাসের জন্যই বেহুন্দী জাল ও ভাসান জাল নিষিদ্ধ থাকবে। এই ব্যাপারে ঐ ডিও লেটারে উক্ত ১১১ সংসদ সদস্যগণের সহায়তা চেয়েছেন মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়। গত ১৮ ই অক্টোবর/২০২৬ ইং তারিখে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ডিও লেটার ইস্যু করেছে। মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ঐ দিনই রবিবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ ডিও লেটার সংশ্লিষ্ট এমপিদের কাছে প্রেরণ করেন। মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ভোলা জেলা সহ দেশের ৩৮টি জেলার এসব সংসদ সদস্যকে ডিও লেটার প্রদান করেন মন্ত্রী। ডিও লেটারে মন্ত্রী মা-ইলিশ সংরক্ষণে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করে বলেন, জাতীয় মৎস্য সম্পদ ও ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য ইলিশ বাংলাদেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, পুষ্টি নিরাপত্তা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ সম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে গত ৮ অক্টোবর থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ পরিচালিত হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, অভিযান চলাকালে নির্ধারিত এলাকায় সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় আইনত নিষিদ্ধ। ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখা এবং ভবিষ্যতে এ সম্পদের উৎপাদন ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এ অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির সফলতা কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রমের ওপর নির্ভরশীল নয়। এক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিও লেটারে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকার উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং সামাজিকভাবে সুপরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে মা ইলিশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়ানো সম্ভব। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের অভিযান বাস্তবায়নে সহযোগিতা, জেলেদের আইন মেনে চলতে বাধ্য করা ও উদ্বুদ্ধ করা এবং অবৈধভাবে ইলিশ আহরণ নিরুৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। ছবিতে- মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

শশীভূষণের এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক ও দুই নং ওয়ার্ডের বেহুন্দী জেলে ও বেহুন্দী জেলেনী ধরতে মন্ত্রণালয়ের ডিও লেটার

Update Time : ০৫:০৫:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

মোঃ আবুল কাশেম : ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের ও দুই নং ওয়ার্ডের মৎস্যদস্যূ, বেহুন্দী জেলে, বেহুন্দী জেলেনী এবং মৎস্যদস্যূ আটক করতে ও আইনের আওতায় নিতে মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়- ভোলা জেলার চার সংসদ সদস্য সহ ৩৮ জেলার মোট ১১১ এমপিকে ডিও লেটার দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়। যাতে দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের অভিযানে কোন এমপিরা নদীর মৎস্যদস্যূদের পক্ষ অবলম্বন না করে। ইতিপূর্বে স্বেচ্ছাচারী, ফ্যাসিবাদী ও জোট সরকারের আমলে দেখা গেছে যে, বাংলাদেশ কোষ্টগার্ডের অভিযানে মৎস্যদস্যূ বাছাই করে ধরা হতো। যে বা যারা নেতাদেরকে কিছু মালপানি দিলেই সরকার দলীয় হওয়ার সুযোগ পেত তারাই নদী ও খালের চরে বেহুন্দী জাল, ভাসান জাল, খরসি জাল, বের জাল, রিং জাল, নেট জাল দিয়ে নদী-খাল, জলাশয় সহ সকল জলচর মাছ ও মাছের ডিমগুলোও ধরে নিয়ে যেত এবং নদী-খাল, জলাশয় খালি করে ফেলত। স্থানীয় এমপির লোক বিধায়- অবরোধ চলাকালীন সময়ে নদী খালের সব মাছ ধরে নিয়ে যেত। কোস্টগার্ড তাদেরকে ধাওয়া দিলে এমপি সাহেব আলম, এমপি সাহেব জ্যাকব, এমপি সাহেব অমুক, এমপি সাহেব তমুক এর কারনে মৎস্যদস্যূদেরকে আর ধরা যেত না। যারা এমপি সাহেবের লোক নয় তাদের ক’জনকে ধরে সরকারি অভিযান এর নামমাত্র আনুষ্ঠানিকতা দেখানো হতো। যেমন- ইংরেজি ২০১৩ ইং সালে বেহুন্দী জাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ হাইকোর্ট। অথচ ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের বেহুন্দী জেলে নুরুদ্দিন, বেহুন্দী জেলে মাহমুদ, বেহুন্দি জেলেনী শেফু, বেহুন্দী জেলে জামাল, বেহুন্দী জেলে কামাল, বেহুন্দী জেলে লিটন, বেহুন্দী জেলে লোকমান, বেহুন্দী জেলেনী কামালের মা, মৎস্য দস্যূ জাহাঙ্গীর মাঝি, মৎস্যদস্যূ আলাউদ্দিন এবং ঐ এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের বেহুন্দী জেলে বেলায়েত, মৎস্য দস্যূ চিডু মাঝি, বারেক মাঝি ও ছালেম মাঝির বিরুদ্ধে কোস্টগার্ড কোন অভিযানে যেতে পারে নাই। নাজিমুদ্দিন আলম এমপি থাকা কালেও ঐ মৎস্যদস্যূদেরকে কোস্টগার্ড জেনেও অভিযান করতে পারে নাই।

https://www.facebook.com/profile.php?id=61595446886442

তাই বর্তমান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট এমপিদের নিকট চিঠি বা ডিও লেটার দিয়ে জানিয়েছেন যে, মা-মাছ, ছোট মাছসহ সব ধরনের মৎস্য নিধন বন্ধের সরকারি ও আইনানুগ অবরোধ চলাকালীন সময়ে সকল মাছ ধরা নিষেধ। এবং বাংলাদেশ হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে, সারাদেশে বারো মাসের জন্যই বেহুন্দী জাল ও ভাসান জাল নিষিদ্ধ থাকবে। এই ব্যাপারে ঐ ডিও লেটারে উক্ত ১১১ সংসদ সদস্যগণের সহায়তা চেয়েছেন মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়। গত ১৮ ই অক্টোবর/২০২৬ ইং তারিখে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ডিও লেটার ইস্যু করেছে। মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ঐ দিনই রবিবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ ডিও লেটার সংশ্লিষ্ট এমপিদের কাছে প্রেরণ করেন। মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ভোলা জেলা সহ দেশের ৩৮টি জেলার এসব সংসদ সদস্যকে ডিও লেটার প্রদান করেন মন্ত্রী। ডিও লেটারে মন্ত্রী মা-ইলিশ সংরক্ষণে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করে বলেন, জাতীয় মৎস্য সম্পদ ও ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য ইলিশ বাংলাদেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, পুষ্টি নিরাপত্তা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ সম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে গত ৮ অক্টোবর থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ পরিচালিত হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, অভিযান চলাকালে নির্ধারিত এলাকায় সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় আইনত নিষিদ্ধ। ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখা এবং ভবিষ্যতে এ সম্পদের উৎপাদন ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এ অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির সফলতা কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রমের ওপর নির্ভরশীল নয়। এক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিও লেটারে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকার উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং সামাজিকভাবে সুপরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে মা ইলিশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়ানো সম্ভব। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের অভিযান বাস্তবায়নে সহযোগিতা, জেলেদের আইন মেনে চলতে বাধ্য করা ও উদ্বুদ্ধ করা এবং অবৈধভাবে ইলিশ আহরণ নিরুৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। ছবিতে- মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়।