০৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

সোনামসজিদ বন্দরে পেঁয়াজে আইপি নীতি পুনর্বিবেচনার দাবি

Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৩১৩ Time View
মোঃ জালাল উদ্দীন ,চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ দেশের বাজারে পেঁয়াজের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখতে আমদানির ক্ষেত্রে বর্তমান আইপি-ইমপোর্ট পারমিট নীতি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ আমদানী ও রপ্তানীকারক গ্রুপ। রোববার দুপুরে সোনামসজিদ আমদানী-রপ্তানীকারক গ্রুপের সভাপতি একরামুল হক সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ দাবি জানান। তিনি বলেন, সম্প্রতি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সীমিত পরিমাণে আইপি দিচ্ছে। কখনও ৫০ মেট্রিক টন, আবার কখনও ৩০ মেট্রিক টন। অথচ ভারত থেকে প্রতিটি ট্রাকে সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসে। ফলে ৩০ মেট্রিক টনের আইপি দিলে এলসি, শুল্ক ও সিএন্ডএফসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাবে। এর প্রভাব সরাসরি বাজারে পড়বে ওং দাম অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। তিনি আরও বলেন, আগের মতো উন্মুক্তভাবে আইপি দেওয়া হলে আমদানিকারকরা সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে সময় ও খরচ সাশ্রয় হবে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। আমদানীকারক গ্রুপের নেতৃবৃন্দের দাবি, সীমিত আইপি বরাদ্দ অব্যাহত থাকলে অরাজকতা সৃষ্টি হবে।
id
কেউ আইপি পাবে, কেউ পাবে না, ফলে বাজারে সরবরাহ ব্যাহত হবে এবং ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোনামসজিদ আমদানী-রপ্তানীকারক গ্রুপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, কোষাধ্যক্ষ নাজমুল হোসেন ও দপ্তর সম্পাদক মাসুম বিল্লাহসহ কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দ।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

সোনামসজিদ বন্দরে পেঁয়াজে আইপি নীতি পুনর্বিবেচনার দাবি

Update Time : ০১:৪১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
মোঃ জালাল উদ্দীন ,চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ দেশের বাজারে পেঁয়াজের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখতে আমদানির ক্ষেত্রে বর্তমান আইপি-ইমপোর্ট পারমিট নীতি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ আমদানী ও রপ্তানীকারক গ্রুপ। রোববার দুপুরে সোনামসজিদ আমদানী-রপ্তানীকারক গ্রুপের সভাপতি একরামুল হক সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ দাবি জানান। তিনি বলেন, সম্প্রতি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সীমিত পরিমাণে আইপি দিচ্ছে। কখনও ৫০ মেট্রিক টন, আবার কখনও ৩০ মেট্রিক টন। অথচ ভারত থেকে প্রতিটি ট্রাকে সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসে। ফলে ৩০ মেট্রিক টনের আইপি দিলে এলসি, শুল্ক ও সিএন্ডএফসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাবে। এর প্রভাব সরাসরি বাজারে পড়বে ওং দাম অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। তিনি আরও বলেন, আগের মতো উন্মুক্তভাবে আইপি দেওয়া হলে আমদানিকারকরা সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে সময় ও খরচ সাশ্রয় হবে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। আমদানীকারক গ্রুপের নেতৃবৃন্দের দাবি, সীমিত আইপি বরাদ্দ অব্যাহত থাকলে অরাজকতা সৃষ্টি হবে।
id
কেউ আইপি পাবে, কেউ পাবে না, ফলে বাজারে সরবরাহ ব্যাহত হবে এবং ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোনামসজিদ আমদানী-রপ্তানীকারক গ্রুপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, কোষাধ্যক্ষ নাজমুল হোসেন ও দপ্তর সম্পাদক মাসুম বিল্লাহসহ কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দ।