১১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

দুই শতাধিক সন্ত্রাসী ছাত্রের ভাংচুরমারে চরফ্যাসন সদরের এইচ এস সি পরীক্ষা কেন্দ্র ধ্বংস

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : ১১:০১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • / ৩৯ Time View
বিশেষ প্রতিনিধি: বাংলাদেশের মূল ভূ-খন্ড হতে বিচ্ছিন্ন রাজধানী ঢাকা হতে আনুমানিক একশত বাহাত্তর কিলোমিটার দক্ষিনের হাজারো অসাংবিধানিকতায় পরিপূর্ণ এবং আইগত রীতিনীতির পরিপূর্ন ভঙ্গুরতা দিয়ে গড়ে তোলা দ্বীপপুঞ্জাঞ্চলীয় ভোলা জেলার ভোলা জেলা সদর হতেও আনুমানিক একশ কিলোমিটার দক্ষিনের সন্ত্রাসবাদী চরফ্যাসন উপজেলা সদরে ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যকার পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পাগলা উত্তাল সংঘর্ষ দমাতে নিকটস্থ সন্ত্রাসবাদী চরফ্যাসন সদর থানা পুলিশের দশ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপের পরে  উত্তেজিত জনতার আদলে থাকা অশান্ত ছাত্র-শিক্ষকদেরকে তাড়ানোর মাধ্যমে- উৎপাদিত শান্ত পরিবেশে চরফ্যাসন উপজেলা বর্তমান  নির্বাহী অফিসার রোমানা আফরোজ ঘটনার স্থলে উপস্থিত হতে পেরে সাংবাদিকদেরকে- শিক্ষকদের ভাষ্য হতে প্রাপ্ত ও গৃহীত উক্তি দিয়ে জানিয়েছেন যে, ছাত্ররা নকল করতে না পেরে কলেজ ভাংচুরমার করেছে ও উপজেলা প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেছে। অনাকাংখিত ঘটনার বিদ্যমান সত্যতার সূত্রে জানা যায় যে, ছাত্র-শিক্ষক ও উপজেলা প্রশাসনের যোগসাজসেই প্রায় বিয়াল্লিশ বছর যাবৎ চরফ্যাসনের সমগ্র উপজেলা এলাকার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষার হলে নকলের  বই-খাতা-কাগজ-পাঠ্য-নোট-গাইড দেখে দেখে “হাজা মাফি? হাজা মাফি কিতাবুন”-   নীতিতে পরীক্ষার খাতায় লিখে পরীক্ষা দিয়ে আসছে ও পাশ করে যাচ্ছে। এর ব্যতিক্রম করলে প্রতিবছরই চরফ্যাসন উপজেলায় হয় পুলিশ নাজেহাল হয়েছে, না হয় পুলিশ অফিসার নাজেহাল হয়েছে এমনকি পরীক্ষার হলের পরিদর্শনের ম্যজিষ্ট্রেটও প্যান্ট-শার্ট খুলতে বাধ্য হওয়ার নাস্তানাবুদের ও অপদস্তের মুখে পড়তে হয়েছে। এগুলো করে চরফ্যাসন উপজেলার বিগত দিনের রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর ছাত্র নেতৃত্বও তৈরি হয়েছে। কিন্তু ব্যতিক্রম ঘটেছে কেবলমাত্র এই বছরের এইচ এস সি পরীক্ষার কম্পিউটার কোর্সের বিষয়ের পরীক্ষার দিনে। কারন- কম্পিউটারের কোর্সের বিষয়ের শিক্ষকদের জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরী করার ব্যাপার ধরা পরার কারনে ও সরকারি শিক্ষকতার চাকরী জীবনে গ্রহন করা সকল টাকা-পয়সা রাষ্ট্রকে ফেরত দেওয়ার চিঠি চরফ্যাসনে পৌছে যাওয়ার খবর রটে যাওয়ায় ঐ শিক্ষকেরা আর অন্যান্য দিনের অন্যান্য বিষয়ের শিক্ষকদের মত পরীক্ষার হলে নকল দিতে না গিয়ে রীতিমত নিয়ম মাফিক তাদের স্বভাবজাত পেশা- “মানুষের ঘরবাড়ির হাঁস-মুরগীর খোপের হাঁস-মুরগী চুরি করা”, “গোয়াল ঘরের গরু-ছাগল চুরি করা”, “নারী-তরুনী-যুবতি ধর্ষণ করা ও করানোর ব্যবসা” ও “যৌন উত্তেজনার ইয়াবা ট্যাবলেট বেচা-কেনা করা” এর কাজে ও অন্যান্য অসামাজিক কাজে চলে গেছে। তাতে তথ্য প্রযুক্তির বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষার হলে নকল প্রাপ্তির অধীর আগ্রহে থেকে নকলে ব্যঘাত পায়, নকল করার অনুভূতিতে আঘাত পায় এবং পরীক্ষার হলের পরীক্ষা দেওয়ার সময় সমাপ্তির ঘন্টা পাওয়ার সাথে সাথে উত্তেজিত হয়। পরীক্ষার হল, পরীক্ষাকেন্দ্র ভাংচুরমার করে, শিক্ষকদেরকে হামলা করে। উত্তেজিত ছাত্রদেরকে দমাতে পুলিশ গিয়ে টিয়ারশেল মারে এবং ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। এদিকে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে,ছাত্ররা নকল করতে ও অসদ উপায় অবলম্বন করতে না পেরে পরীক্ষা কেন্দ্র ভাংচুরমার করেছে। ভাংচুরের গোটা পরিস্থিতি অবলোকন করে দেখা গেছে যে, আনুমানিক দুই শতাধিক ছাত্র উক্ত ভাংচুরমারে অংশ নিয়েছে। পৃলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবহৃত টিয়ার শেলের হিসাবের সত্যতা নথিজাত করার সুবিধার্থে ঘটনা নিয়ে মামলা হওয়ার সম্ভাবনা ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। অন্যদিকে ভাংচুর ও মারামারির ঘটনায়  বিভিন্ন চিকিৎসালয় সূত্রে পনের জনের চিকিৎসা নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দশজনকে আহত অবস্থায় পাওয়া গেছে। পরীক্ষা কেন্দ্রের ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যকার মারামারিতে লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল ব্যবহার হতে দেখা গেছে। ছবিতে- টিয়ার সেলের মুখে পরা ছাত্ররা, ছাত্রদের ভয়ে পলাতনের আশ্রয় নেওয়া শিক্ষকেরা, ঘটনার স্থলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোমানা আফরোজের উপস্থিতি, শান্ত পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের সাফাই দেওয়া বক্তব্য।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

দুই শতাধিক সন্ত্রাসী ছাত্রের ভাংচুরমারে চরফ্যাসন সদরের এইচ এস সি পরীক্ষা কেন্দ্র ধ্বংস

Update Time : ১১:০১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
বিশেষ প্রতিনিধি: বাংলাদেশের মূল ভূ-খন্ড হতে বিচ্ছিন্ন রাজধানী ঢাকা হতে আনুমানিক একশত বাহাত্তর কিলোমিটার দক্ষিনের হাজারো অসাংবিধানিকতায় পরিপূর্ণ এবং আইগত রীতিনীতির পরিপূর্ন ভঙ্গুরতা দিয়ে গড়ে তোলা দ্বীপপুঞ্জাঞ্চলীয় ভোলা জেলার ভোলা জেলা সদর হতেও আনুমানিক একশ কিলোমিটার দক্ষিনের সন্ত্রাসবাদী চরফ্যাসন উপজেলা সদরে ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যকার পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পাগলা উত্তাল সংঘর্ষ দমাতে নিকটস্থ সন্ত্রাসবাদী চরফ্যাসন সদর থানা পুলিশের দশ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপের পরে  উত্তেজিত জনতার আদলে থাকা অশান্ত ছাত্র-শিক্ষকদেরকে তাড়ানোর মাধ্যমে- উৎপাদিত শান্ত পরিবেশে চরফ্যাসন উপজেলা বর্তমান  নির্বাহী অফিসার রোমানা আফরোজ ঘটনার স্থলে উপস্থিত হতে পেরে সাংবাদিকদেরকে- শিক্ষকদের ভাষ্য হতে প্রাপ্ত ও গৃহীত উক্তি দিয়ে জানিয়েছেন যে, ছাত্ররা নকল করতে না পেরে কলেজ ভাংচুরমার করেছে ও উপজেলা প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেছে। অনাকাংখিত ঘটনার বিদ্যমান সত্যতার সূত্রে জানা যায় যে, ছাত্র-শিক্ষক ও উপজেলা প্রশাসনের যোগসাজসেই প্রায় বিয়াল্লিশ বছর যাবৎ চরফ্যাসনের সমগ্র উপজেলা এলাকার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষার হলে নকলের  বই-খাতা-কাগজ-পাঠ্য-নোট-গাইড দেখে দেখে “হাজা মাফি? হাজা মাফি কিতাবুন”-   নীতিতে পরীক্ষার খাতায় লিখে পরীক্ষা দিয়ে আসছে ও পাশ করে যাচ্ছে। এর ব্যতিক্রম করলে প্রতিবছরই চরফ্যাসন উপজেলায় হয় পুলিশ নাজেহাল হয়েছে, না হয় পুলিশ অফিসার নাজেহাল হয়েছে এমনকি পরীক্ষার হলের পরিদর্শনের ম্যজিষ্ট্রেটও প্যান্ট-শার্ট খুলতে বাধ্য হওয়ার নাস্তানাবুদের ও অপদস্তের মুখে পড়তে হয়েছে। এগুলো করে চরফ্যাসন উপজেলার বিগত দিনের রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর ছাত্র নেতৃত্বও তৈরি হয়েছে। কিন্তু ব্যতিক্রম ঘটেছে কেবলমাত্র এই বছরের এইচ এস সি পরীক্ষার কম্পিউটার কোর্সের বিষয়ের পরীক্ষার দিনে। কারন- কম্পিউটারের কোর্সের বিষয়ের শিক্ষকদের জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরী করার ব্যাপার ধরা পরার কারনে ও সরকারি শিক্ষকতার চাকরী জীবনে গ্রহন করা সকল টাকা-পয়সা রাষ্ট্রকে ফেরত দেওয়ার চিঠি চরফ্যাসনে পৌছে যাওয়ার খবর রটে যাওয়ায় ঐ শিক্ষকেরা আর অন্যান্য দিনের অন্যান্য বিষয়ের শিক্ষকদের মত পরীক্ষার হলে নকল দিতে না গিয়ে রীতিমত নিয়ম মাফিক তাদের স্বভাবজাত পেশা- “মানুষের ঘরবাড়ির হাঁস-মুরগীর খোপের হাঁস-মুরগী চুরি করা”, “গোয়াল ঘরের গরু-ছাগল চুরি করা”, “নারী-তরুনী-যুবতি ধর্ষণ করা ও করানোর ব্যবসা” ও “যৌন উত্তেজনার ইয়াবা ট্যাবলেট বেচা-কেনা করা” এর কাজে ও অন্যান্য অসামাজিক কাজে চলে গেছে। তাতে তথ্য প্রযুক্তির বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষার হলে নকল প্রাপ্তির অধীর আগ্রহে থেকে নকলে ব্যঘাত পায়, নকল করার অনুভূতিতে আঘাত পায় এবং পরীক্ষার হলের পরীক্ষা দেওয়ার সময় সমাপ্তির ঘন্টা পাওয়ার সাথে সাথে উত্তেজিত হয়। পরীক্ষার হল, পরীক্ষাকেন্দ্র ভাংচুরমার করে, শিক্ষকদেরকে হামলা করে। উত্তেজিত ছাত্রদেরকে দমাতে পুলিশ গিয়ে টিয়ারশেল মারে এবং ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। এদিকে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে,ছাত্ররা নকল করতে ও অসদ উপায় অবলম্বন করতে না পেরে পরীক্ষা কেন্দ্র ভাংচুরমার করেছে। ভাংচুরের গোটা পরিস্থিতি অবলোকন করে দেখা গেছে যে, আনুমানিক দুই শতাধিক ছাত্র উক্ত ভাংচুরমারে অংশ নিয়েছে। পৃলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবহৃত টিয়ার শেলের হিসাবের সত্যতা নথিজাত করার সুবিধার্থে ঘটনা নিয়ে মামলা হওয়ার সম্ভাবনা ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। অন্যদিকে ভাংচুর ও মারামারির ঘটনায়  বিভিন্ন চিকিৎসালয় সূত্রে পনের জনের চিকিৎসা নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দশজনকে আহত অবস্থায় পাওয়া গেছে। পরীক্ষা কেন্দ্রের ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যকার মারামারিতে লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল ব্যবহার হতে দেখা গেছে। ছবিতে- টিয়ার সেলের মুখে পরা ছাত্ররা, ছাত্রদের ভয়ে পলাতনের আশ্রয় নেওয়া শিক্ষকেরা, ঘটনার স্থলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোমানা আফরোজের উপস্থিতি, শান্ত পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের সাফাই দেওয়া বক্তব্য।