https://www.facebook.com/obaidul1991
পঞ্চগড়ে প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত হয়েছে
- Update Time : ০৬:১৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
- / ১৫ Time View

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ
মহান মে দিবস,সমগ্র বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের এক অবিস্বরনীয় দিন 1886 সালে 1মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে-মার্কেটের শ্রমিকরা দৈনিক আট ঘন্টা কাজের দাবিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।সেই আত্নত্যাগের স্বরনে প্রতি বছর এই দিনটি বিশ্বব্যাপী “আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস”হিসেবে পালিত হয়।বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিকতায় নয়,বরং শ্রমিক অধিকার আইন প্রতিষ্ঠার নতুন প্রত্যয়ের চিত্র দিন হিসেবে পরিচিত।বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি শ্রমজীবী মানুষ।কৃষি,শিল্প,নির্মান পরিবহন সেবা সবক্ষেত্রেই অবদান অনস্বীকার্য।বিশেষ করে পোশাক তৈরী শিল্প,যা দেশের রপ্তানি খাত,সেখানে লাখো শ্রমিকের ঘাম ও শ্রমে গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার।কিন্তুু এই অবদানের বিপরীতে শ্রমিকদের প্রাপ্য অধিকার,ন্যায্য মুজুরী এবং নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত হয়েছে কতটুকু এ প্রশ্ন আজ ও প্রাসঙ্গিক।বাংলাদেশে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা প্রনয়ন করা হয়েছে,2006 সালের শ্রম আইন এবং এর পরবর্তী সংশোধনী গুলো শ্রমিকদের কর্মঘন্টা,মুজুরী,ছুটি,নিরাপত্তা ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলে।
অনেক ক্ষেত্রে শ্রম আইন যথাযথ ভাবে বাস্তবায়ন হয়না।বিশেষ করে কর্মরত শ্রমিক গন এখনো আইনি সুরক্ষার রয়ে গেছে।প্রতি বছরে একবার দিন ব্যাপী শ্রমিকদের নতুন নতুন দাবী দফা নানাবিধ সমস্যা যেমন মুজুরী বৃদ্ধি, কর্মঘন্টা নির্ধারণ,নিরাপত্তা নিশ্চিত করন সহ ট্রেড ইউনিয়ন করা বিশ্বের সকল শ্রেনীর শ্রমিকদের দীর্ঘ দিনের প্রানের দাবী এছাড়াও শ্রমীকদের জীবন যাত্রা সম্পূর্ণ ভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অনিরাপদ ও অনিশ্চিত।অন্যদিকে প্রযুক্তির অগ্রগতি ও বৈশিক অগ্রগতি পরিবর্তনের ফলে শ্রম বাজারেও নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরী হয়েছে।অটোমেশন,ইকোনোমি ডিজিটাল প্লাট ফরম অটোমেশন শিগগির বদলে যাচ্ছে।বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে শ্রমিক কল্যানে বিভিন্ন উদ্যেগ গ্রহন করেছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি,শ্রমিক কল্যাণ তহবিল,স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা উন্নয়ন প্রকল্প শ্রমিকদের জীবন মান উন্নয়নে বিশেষ ভুমিকা রাখছে।আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা(আইএলঅ)শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় মানদন্ড নির্ধারন করেছে।যা অনুস্বরন করা পৃথিবীর প্রতিটি দেশের জন্য অনুস্বরন করা গুরুত্ব পূর্ন।শ্রমিকদের ন্যায্য দাবী প্রতিষ্ঠা,সমাজ,রাষ্ট্র ও সরকারের সম্মিলিত উদ্যোগ আরো জোরদার করা হবে।তাহলেই শিকাগোর সেই আত্নত্যাগ সার্থক সফলকাম হবে।এবং সমগ্র পৃথিবীতে গড়ে উঠবে একটি ইনসাফ ন্যায়ভিত্তিক মানবিক সমাজ ও রাষ্ট্র বলে প্রত্যাশা করেন পঞ্চগড় বাসী।


















