০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

ঝালকাঠিতে মাদক নির্মূলে অভিযানসহ ডোপ টেষ্ট চালানোর কথা জানালেন রাজাপুর থানার ওসি, ধরা পড়ছে মাদকাসক্তরা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৬:৪১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / ৫ Time View

 

 

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে পুলিশ। মাদকসেবী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের পর ডোপ টেস্টে পাঠানো হচ্ছে। পরীক্ষায় মাদক সেবনের প্রমাণ মিললে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে দুটি মামলায় দুজনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, শুধু মাদকসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার হলেই নয়, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদেরও ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হচ্ছে। পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল এলে পুলিশ বাদী হয়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে এ প্রক্রিয়ায় আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, “মাদক নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। কেউ মাদকসহ ধরা না পড়লেও যদি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকে, সেক্ষেত্রে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে মাদক সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে। প্রমাণ মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ওসি জানান, কেহ মাদক সেবন করে উগ্র আচরণ বা আইনশৃংখলা পন্থী কোন কাজে লিপ্ত হলে তাদের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী এবং চাকরিপ্রার্থীদের ডোপ টেস্টের আওতায় আনা গেলে মাদকাসক্তি প্রতিরোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মত তাদের। এতে অনেক অসহায় বাবা-মা ও অভিভাবক উপকৃত হবেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thedailysarkar@gmail.com

About Author Information

ঝালকাঠিতে মাদক নির্মূলে অভিযানসহ ডোপ টেষ্ট চালানোর কথা জানালেন রাজাপুর থানার ওসি, ধরা পড়ছে মাদকাসক্তরা

Update Time : ০৬:৪১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

 

 

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে পুলিশ। মাদকসেবী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের পর ডোপ টেস্টে পাঠানো হচ্ছে। পরীক্ষায় মাদক সেবনের প্রমাণ মিললে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে দুটি মামলায় দুজনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, শুধু মাদকসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার হলেই নয়, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদেরও ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হচ্ছে। পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল এলে পুলিশ বাদী হয়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে এ প্রক্রিয়ায় আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, “মাদক নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। কেউ মাদকসহ ধরা না পড়লেও যদি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকে, সেক্ষেত্রে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে মাদক সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে। প্রমাণ মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ওসি জানান, কেহ মাদক সেবন করে উগ্র আচরণ বা আইনশৃংখলা পন্থী কোন কাজে লিপ্ত হলে তাদের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী এবং চাকরিপ্রার্থীদের ডোপ টেস্টের আওতায় আনা গেলে মাদকাসক্তি প্রতিরোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মত তাদের। এতে অনেক অসহায় বাবা-মা ও অভিভাবক উপকৃত হবেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।