০৭:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

কালিয়াকৈরের চন্দ্রা নবীনের টেকে বন বিভাগের জমি দখল করে ঘর নির্মাণ, মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : ০২:০১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৫১ Time View

 

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা নবীনের টেক এলাকায় বন বিভাগের জমি জবরদখলের অভিযোগের পাশাপাশি এবার উঠেছে আরও গুরুতর অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, দখলকৃত বন বিভাগের জমিতে ঘর নির্মাণ করে সেগুলো বাসা ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা অবৈধভাবে আদায় করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী, সামসুদ্দোহা নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের সংরক্ষিত জমি দখল করে সেখানে টিনশেড ও স্থাপনা নির্মাণ করেছে। এসব ঘরে বিভিন্ন পরিবার ও ব্যবসায়ীদের ভাড়া দিয়ে নিয়মিত মাসিক অর্থ আদায় করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, এটি শুধু জমি দখলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—বরং সরকারি বনভূমিকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করে একটি অবৈধ আয়ের উৎসে পরিণত করা হয়েছে। এতে একদিকে যেমন রাষ্ট্রের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ ও বন সংরক্ষণ আইন প্রকাশ্যে লঙ্ঘিত হচ্ছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন—
“বন বিভাগের জমিতে ঘর তুলে ভাড়া দেওয়ার খুঁটির জোর কোথায়? এই অবৈধ স্থাপনা এতদিন কীভাবে টিকে আছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thedailysarkar@gmail.com

About Author Information

কালিয়াকৈরের চন্দ্রা নবীনের টেকে বন বিভাগের জমি দখল করে ঘর নির্মাণ, মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

Update Time : ০২:০১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা নবীনের টেক এলাকায় বন বিভাগের জমি জবরদখলের অভিযোগের পাশাপাশি এবার উঠেছে আরও গুরুতর অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, দখলকৃত বন বিভাগের জমিতে ঘর নির্মাণ করে সেগুলো বাসা ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা অবৈধভাবে আদায় করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী, সামসুদ্দোহা নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের সংরক্ষিত জমি দখল করে সেখানে টিনশেড ও স্থাপনা নির্মাণ করেছে। এসব ঘরে বিভিন্ন পরিবার ও ব্যবসায়ীদের ভাড়া দিয়ে নিয়মিত মাসিক অর্থ আদায় করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, এটি শুধু জমি দখলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—বরং সরকারি বনভূমিকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করে একটি অবৈধ আয়ের উৎসে পরিণত করা হয়েছে। এতে একদিকে যেমন রাষ্ট্রের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ ও বন সংরক্ষণ আইন প্রকাশ্যে লঙ্ঘিত হচ্ছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন—
“বন বিভাগের জমিতে ঘর তুলে ভাড়া দেওয়ার খুঁটির জোর কোথায়? এই অবৈধ স্থাপনা এতদিন কীভাবে টিকে আছে।