০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

১৭ রমজান বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটির সাবেক সভাপতি মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী (রহ:) ৬ষ্ঠ মৃতুবাষিকীতে কম সংখ্যক সৎ , নীতি , আদশের বা বদরের চেতনায় বাংলাদেশ পরিচালনা করতে হবে– বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • Update Time : ০৯:৪২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • / ৬০ Time View
ইসলামের ইতিহাসের প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ বদরের যুদ্ধ ৩১৩ জন সাহাবি প্রায় ১,০০০ জন সুসজ্জিত কুরাইশ বাহিনীকে পরাজিত করেন ।কুরাইশদের ৭০ জন নিহত ও ৭০ জন বন্দি হয় এবং মুসলিমদের পক্ষে ১৪ জন সাহাবি শহীদ হন । ১৭ রমযান বদর যুদ্ধের প্রতিপাদ্য বিষয় কম সংখ্যক মুসলমান বেশি সংখ্যক কুরাইশদের সাথে সত্য , সঠিক পথের কারণে জয়লাভ করে। বতমানে দেশে বিরানব্বই শতাংশ এবং বিশ্বে মোট জনসংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ মুসলমান থাকলেও মুসলমানরা বিশ্বে প্রাধান্য বিস্তার বা নেতৃত্ব দিতে ব্যথ হচ্ছে ।
১৭ রমজান বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটির সাবেক সভাপতি মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী (রহ:) ৬ষ্ঠ মৃতুবাষিকী উপলক্ষ্যে পাটি সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল হক এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটির সাবেক সভাপতি মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী (রহ:) ২০২০ সালের ১৭ রমযান বদর দিবসে বাদ মাগরিব নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন) ।
মাওলানা ওবায়দুল হক বলেন, মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী (রহ:)ছিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বাংলাদেশকে মুসলিম দেশ হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত করার সংগ্রামে তৎপর। ১৯৪৭ সালে মুসলিম দেশ হিসেবে এ ভুখন্ডের তৈরী হওয়া মানচিত্রের , মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পরিচালিত হওয়াসহ রাষ্ট্রিয় বাজেটে মসজিদ-মাদরাসা ইসলামী প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচলিত হওয়াসহ ইসলামী রাজনীতিসহ জাতীয় রাজনীতিতে সৎ,পরিচ্ছন্ন,অনুসরনীয় রাজনীতিবিদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। ইসলামী রাজনীতিসহ রাজনীতির সৎ,পরিচ্ছন্ন,অনুসরনীয় রাজনীতিবিদ হিসেবে যে কার্যক্রম শুরু করে গেছেন সে কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য সকল ইসলামী ব্যাক্তিত্ব ও মুসলমানসহ সরকার-বেসরকারী সবাইকে প্রচেষ্ঠা চালাতে হবে।
তিনি বলেন, বদরসহ সকল যুদ্ধ বা আন্দোলন কম সংখ্যক ব্যক্তি ঈমানের শক্তির কারণে জয়ী হয়েছেন। বর্তমানে বিরানব্বাই শতাংশ মুসলমান ও বিশ্বে মোট জনসংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ মুসলমান থাকলেও হলেও ঈমানের জোর না থাকাতে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামকে প্রাধান্য দেয়া হয়না । বর্তমানে হযরত উমরের মতো ব্যাক্তিত্ব বাংলাদেশে একান্তভাবে প্রয়োজন যাতে ইসলামকে রাষ্ট্রিয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালনা করা যায়।
১৯৪৭ সালে মুসলমানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পুব পকিস্তান নামে এ ভুখন্ডের সুচনা করা হলেও বতমানে বাংলাদেশে বিরানব্বই শতাংশ মুসলমানদের সাথে রাষ্ট্রিয় ব্যবস্থার দুরত্ব অবস্থা বিরাজ করছে। রাষ্ট্রিয় ব্যবস্থা পরিচালনায় বিরানব্বই শতাংশ মুসলমানদের বিবেচনা না করে ইহুদী , খিষ্ট্রান বা বিজাতীয় সংস্কৃতির প্রভাব রাষ্ট্রিয় ব্যবস্থা পরিচালনায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ২০২৪ সালে পরিবতনের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান, একনায়কতন্ত্র ,ক্ষমতার অপব্যবহার বা বৈষম্যে দুর করার জন্য হাজারো নাগরিক জীবন দিলেও কোন পরিবতন আনা সম্ভব হয়নি। বিশ্বে ইহুদী , খিষ্ট্রানদের আধিপত্যবাদ ,একনায়কতন্ত্র ,ক্ষমতার অপব্যবহার বা বৈষম্য দুর করার জন্য মানবতাবাদী ইরান এককভাবে লড়াই করে যাচ্ছে । ববর ও অসভ্যের বিশ্বে মানবতাবাদী ইরানকে সমথন না দিয়ে ইহুদী , খিষ্ট্রানদের আধিপত্যবাদ ,একনায়কতন্ত্র ,ক্ষমতার অপব্যবহার বা বৈষম্যকে সমথন দেওয়ার কারণে বিশ্বকে শান্তিপূণ করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশসহ মানবাধিকার ও সভ্যদেশগুলোকে বিশ্বকে আধিপত্যবাদ ,একনায়কতন্ত্র মুক্ত করতে ইরানকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে হবে।
মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী (রহ:)র ৬ষ্ঠ মৃতুবাষিকীতে মাওলানা ওবায়দুল হক বলেন, দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানকে রাষ্ট্রিয় ভাবে প্রতিষ্ঠিত বা পরিচালিত করতে রাষ্ট্রধম ইসলামের দেশে হিসেবে রাষ্ট্রিয় বাজেট ঘোষণা, সকল ধরনের নিবাচনে ইসলামী দল ও ২০২৪ সালের জুলাই অন্দোলনের রাজনৈতিক দলগুলোকে একক প্রাথী দিতে হবে।
বিশ্বে মোট জনসংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ মুসলমানকে সকল ধরনের ভেদাভেদ ভুলে এক আল্লাহ ,এক নবী( হযরত মুহম্মদ স:) ও এক কুরআনের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিশ্বকে সঠিক পথে নেতৃত্বে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে।
মাওলানা ওবায়দুল হক ইসলামী রাজনীতিসহ রাজনীতির সৎ,পরিচ্ছন্ন,অনুসরনীয় রাজনীতিবিদ হিসেবে মাওলানা আবদুর লতিফ নেজামী (রহ:) যে কার্যক্রম শুরু করে গেছেন সে কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য সকল ইসলামী ব্যাক্তিত্ব, ২০২৪ সালের হাজারো নাগরিকের আত্মত্যাগকারী , মুসলমানসহ সরকার-বেসরকারী সবাইকে প্রচেষ্ঠা চালানোর আহবান জানানোসহ মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী (রহ:)র সকল নেকআমল কবুল করা সহ বেহেশতের উচু মাকাম দান করার জন্য সৃষ্টিকতা আল্লাহর প্রতি সবাইকে দোয়া করার আহবান জানান।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thedailysarkar@gmail.com

About Author Information

১৭ রমজান বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটির সাবেক সভাপতি মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী (রহ:) ৬ষ্ঠ মৃতুবাষিকীতে কম সংখ্যক সৎ , নীতি , আদশের বা বদরের চেতনায় বাংলাদেশ পরিচালনা করতে হবে– বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটি

Update Time : ০৯:৪২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
ইসলামের ইতিহাসের প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ বদরের যুদ্ধ ৩১৩ জন সাহাবি প্রায় ১,০০০ জন সুসজ্জিত কুরাইশ বাহিনীকে পরাজিত করেন ।কুরাইশদের ৭০ জন নিহত ও ৭০ জন বন্দি হয় এবং মুসলিমদের পক্ষে ১৪ জন সাহাবি শহীদ হন । ১৭ রমযান বদর যুদ্ধের প্রতিপাদ্য বিষয় কম সংখ্যক মুসলমান বেশি সংখ্যক কুরাইশদের সাথে সত্য , সঠিক পথের কারণে জয়লাভ করে। বতমানে দেশে বিরানব্বই শতাংশ এবং বিশ্বে মোট জনসংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ মুসলমান থাকলেও মুসলমানরা বিশ্বে প্রাধান্য বিস্তার বা নেতৃত্ব দিতে ব্যথ হচ্ছে ।
১৭ রমজান বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটির সাবেক সভাপতি মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী (রহ:) ৬ষ্ঠ মৃতুবাষিকী উপলক্ষ্যে পাটি সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল হক এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটির সাবেক সভাপতি মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী (রহ:) ২০২০ সালের ১৭ রমযান বদর দিবসে বাদ মাগরিব নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন) ।
মাওলানা ওবায়দুল হক বলেন, মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী (রহ:)ছিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বাংলাদেশকে মুসলিম দেশ হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত করার সংগ্রামে তৎপর। ১৯৪৭ সালে মুসলিম দেশ হিসেবে এ ভুখন্ডের তৈরী হওয়া মানচিত্রের , মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পরিচালিত হওয়াসহ রাষ্ট্রিয় বাজেটে মসজিদ-মাদরাসা ইসলামী প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচলিত হওয়াসহ ইসলামী রাজনীতিসহ জাতীয় রাজনীতিতে সৎ,পরিচ্ছন্ন,অনুসরনীয় রাজনীতিবিদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। ইসলামী রাজনীতিসহ রাজনীতির সৎ,পরিচ্ছন্ন,অনুসরনীয় রাজনীতিবিদ হিসেবে যে কার্যক্রম শুরু করে গেছেন সে কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য সকল ইসলামী ব্যাক্তিত্ব ও মুসলমানসহ সরকার-বেসরকারী সবাইকে প্রচেষ্ঠা চালাতে হবে।
তিনি বলেন, বদরসহ সকল যুদ্ধ বা আন্দোলন কম সংখ্যক ব্যক্তি ঈমানের শক্তির কারণে জয়ী হয়েছেন। বর্তমানে বিরানব্বাই শতাংশ মুসলমান ও বিশ্বে মোট জনসংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ মুসলমান থাকলেও হলেও ঈমানের জোর না থাকাতে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামকে প্রাধান্য দেয়া হয়না । বর্তমানে হযরত উমরের মতো ব্যাক্তিত্ব বাংলাদেশে একান্তভাবে প্রয়োজন যাতে ইসলামকে রাষ্ট্রিয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালনা করা যায়।
১৯৪৭ সালে মুসলমানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পুব পকিস্তান নামে এ ভুখন্ডের সুচনা করা হলেও বতমানে বাংলাদেশে বিরানব্বই শতাংশ মুসলমানদের সাথে রাষ্ট্রিয় ব্যবস্থার দুরত্ব অবস্থা বিরাজ করছে। রাষ্ট্রিয় ব্যবস্থা পরিচালনায় বিরানব্বই শতাংশ মুসলমানদের বিবেচনা না করে ইহুদী , খিষ্ট্রান বা বিজাতীয় সংস্কৃতির প্রভাব রাষ্ট্রিয় ব্যবস্থা পরিচালনায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ২০২৪ সালে পরিবতনের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান, একনায়কতন্ত্র ,ক্ষমতার অপব্যবহার বা বৈষম্যে দুর করার জন্য হাজারো নাগরিক জীবন দিলেও কোন পরিবতন আনা সম্ভব হয়নি। বিশ্বে ইহুদী , খিষ্ট্রানদের আধিপত্যবাদ ,একনায়কতন্ত্র ,ক্ষমতার অপব্যবহার বা বৈষম্য দুর করার জন্য মানবতাবাদী ইরান এককভাবে লড়াই করে যাচ্ছে । ববর ও অসভ্যের বিশ্বে মানবতাবাদী ইরানকে সমথন না দিয়ে ইহুদী , খিষ্ট্রানদের আধিপত্যবাদ ,একনায়কতন্ত্র ,ক্ষমতার অপব্যবহার বা বৈষম্যকে সমথন দেওয়ার কারণে বিশ্বকে শান্তিপূণ করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশসহ মানবাধিকার ও সভ্যদেশগুলোকে বিশ্বকে আধিপত্যবাদ ,একনায়কতন্ত্র মুক্ত করতে ইরানকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে হবে।
মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী (রহ:)র ৬ষ্ঠ মৃতুবাষিকীতে মাওলানা ওবায়দুল হক বলেন, দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানকে রাষ্ট্রিয় ভাবে প্রতিষ্ঠিত বা পরিচালিত করতে রাষ্ট্রধম ইসলামের দেশে হিসেবে রাষ্ট্রিয় বাজেট ঘোষণা, সকল ধরনের নিবাচনে ইসলামী দল ও ২০২৪ সালের জুলাই অন্দোলনের রাজনৈতিক দলগুলোকে একক প্রাথী দিতে হবে।
বিশ্বে মোট জনসংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ মুসলমানকে সকল ধরনের ভেদাভেদ ভুলে এক আল্লাহ ,এক নবী( হযরত মুহম্মদ স:) ও এক কুরআনের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিশ্বকে সঠিক পথে নেতৃত্বে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে।
মাওলানা ওবায়দুল হক ইসলামী রাজনীতিসহ রাজনীতির সৎ,পরিচ্ছন্ন,অনুসরনীয় রাজনীতিবিদ হিসেবে মাওলানা আবদুর লতিফ নেজামী (রহ:) যে কার্যক্রম শুরু করে গেছেন সে কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য সকল ইসলামী ব্যাক্তিত্ব, ২০২৪ সালের হাজারো নাগরিকের আত্মত্যাগকারী , মুসলমানসহ সরকার-বেসরকারী সবাইকে প্রচেষ্ঠা চালানোর আহবান জানানোসহ মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী (রহ:)র সকল নেকআমল কবুল করা সহ বেহেশতের উচু মাকাম দান করার জন্য সৃষ্টিকতা আল্লাহর প্রতি সবাইকে দোয়া করার আহবান জানান।